top of page
  • Writer's picturemonoranjan das

Radharani a love story

রাধারাণী

মনোরঞ্জন দাস

তৃতীয় অধ্যায়

মলয় তো সাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ল। কিন্তু মন তার পড়ে রইল সেই নমিতাদের বাড়িতে। মনের মধ্যে চলতে লাগল অবিরাম লড়াই ,যেন মহাভারতের সেই অভিমন্যু বধের পুনরাবৃত্তি শুরু হয়েছে। আজ যেন অভিমন্যুর মতো সে চক্রবুহ্যের মধ্যে আবদ্ধ রয়েছে। বড় বড় মহারথী ,রথী সকলে ঘিরে নিয়েছে মলয়কে যেন এ জীবনে আর এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেনা। অবশেযে কি মলয় পারবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে এই কল্পনার যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে বিজয় লাভ করতে। না কি অর্জুন পুত্র অভিমন্যুর মতো চিরদিনের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে আবদ্ধ হয়েই রয়ে যাবে। কারণ ভালোবাসার এই যুদ্ধক্ষেত্র তার জীবনে প্রথমবার উপস্থাপন হয়েছে। এদিকে সামনেই ক্লাবের সেই প্রিয় অনুষ্ঠান ,যার সকল দ্বায়িত্ব নিয়ে বসে আছে নিজে। তখন কি জানতো এভাবে জীবন যাত্রায় অকল্পনীয় পরিবর্তন আসবে। যার জন্য দিনের কাজ ,রাতের ঘুম সব এলোমেলো হয়ে গেল। ভালোবাসা কি সত্যি কোনো জাদু কাঠি যার স্পর্শে মানব জীবনে অকল্পনীয় পরিবর্তন আসে।

বেলা যতই গড়াতে লাগল নমিতাদের বাড়িতে রান্নাঘরের সুগন্ধ বাড়তে লাগলো। মাসিমা অর্থাৎ নমিতার মামনি বিভিন্ন পদ রান্না করতে লাগল। তার সাথে তালে তাল মিলিয়ে দুই বোনে হাত লাগিয়ে গেল। একজন তার পুরানো প্রেমিকের কথা ভেবে আরেকজন তার মনের রাজ্ কুমারের জন্য ষোলো আনা চেষ্টা করতে লাগলো। জীবনের আঙিনায় যদি প্রেম নামের এই বস্তুটা না থাকতো তাহলে সামাজিক পরিবেশ অন্ধকারে ডুবে যেত। রান্নার শুরুটা অবশ্য নমিতা নিজেই করেছে , কারণ পাশের বাড়ি থেকে ফিরতে একটু দেরি হয়েছিল। বহুদিন পরে যাওয়ার জন্য তারা ছাড়তে চায়নি।

মনে মনে নানা গল্প নমিতা ভাবতে লাগল। কখনো সে ভাবছে নিজের হাতে রান্না করে তাকে খাওয়াবে ,কখনো ভাবছে পাশে বসিয়ে ভালোবেসে মনের সুখে খাওয়াবে। বিভিন্ন পদের রান্না আজ সে করেছে তার কথা ভেবেই। তার পছন্দের সকল খাবার মন দিয়ে রান্না করতে হবে। এই নানান কল্পনায় সে বিভোর আজকে।

এদিকে রাধারাণী অন্য চিন্তায় মগ্ন, সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে স্বপ্নের জগতে ভেসে বেড়াচ্ছে। মাথার চুল বাঁ হাতের তর্জনীতে বারবার পাক দিযে চলেছে আর সেই আপন প্রেমিকের কথা ভেবেই চলেছে। ভাবতে ভাবতেই দুপুর হয়ে এল। কিন্তু কল্পনার নায়ক মলয়ের দেখা নেই।

মা ও মেয়ে দুজনে মিলে বহু রকমারি খাবার রান্না আজ করেছে। সুগন্ধে মোহমোহ করছে বাড়ি ,বাড়ির উঠোন সর্বত্রই।

ভালোবাসার আগুনে আজ তিনটি তিনটি জীবনের অস্তিত্ব ,আশা ,স্বপ্ন ও চিন্তা -ভাবনা পুড়ে হয়ত ছাই হয়ে যাবে অথবা আগুনে পুড়ে সোনায় পরিণত হবে। জানিনা কার জীবনে কিসের পরিবর্তন হবে ? কার যে লাভ হবে আর কার যে ক্ষতি হবে কে জানে ?

যাই হোক এবার আসি মলয়ের কাছে। এদিকে মলয় চিন্তা - ভাবনা করতে শুরু করেছে যে , সে নিমন্ত্রণ রক্ষা করবে না কি নিজের কাজে বেরিয়ে পড়বে। ক্লাবের দায়িত্ব নিয়েছে ,সামনেই তাদের সাংকৃতিক অনুষ্ঠান ,চিন্তায় অস্থির। এদিকে আবার আরও এক নতুন চিন্তায় নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছে। দুই দিক থেকেই পালিয়ে যাওয়ার বা ফাঁকি দেওয়ার কোনো পথ নেই।

মলয় মায়ের দেওয়া যাবতীয় কাজ সেরে অনুমতি চাওয়ার জন্য রান্নাঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে রইল।

মা - কিরে এখানে দাঁড়িয়ে রইলি , কিছু বলবি ?

মলয় - মা বলছিলাম যে ,আমি-

মা - কি হল বলে ফেল ,আমার অনেক কাজ আছে। রান্নার কিছুই করে উঠতে পারিনি। তোর বাবার আসার সময় হয়ে এল। তাঁকেও তো কিছু খেতে দিতে হবে বল। তাছাড়া তুই কি খাবি আজকে বললি না।

মলয় - খাব মানে ,আমি -

মা - আবার ,এই তোর কি হলো বল তো ?

মলয় - আমি আজ নমিতাদের বাড়িতে খাবার খাব।

মা - অন্যের বাড়িতে কেন খাবি ?

মলয় - - আমার সেখানে নিমন্ত্রণ আছে , মা।

মা - তাহলে আগে তো বলিস নি। তোর একা না বন্ধুদের সকলের নিমন্ত্রণ আছে রে সেখানে।

মলয় - না , মা , আমার একার নিমন্ত্রণ আছে। আসলে আজ সকালে যখন ওদের বাড়ি গিয়েছিলাম ,তখন মাসিমা দুপুরে খাওয়ার জন্য। তাই দুপুরে ওখানেই খাব।

মা - তা যাই হোক সাবধানে যাবি। বেশি দেরি করবি না।


মায়ের অনুমতি নিয়ে মলয় বেরিয়ে পড়ে নিমন্ত্রণ রক্ষা করার উদ্দেশ্যে। তার সেই প্রিয় সাইকেলটি নিয়ে। কিছুদূর যেতে না যেতেই রাকেশ এসে হাজির তার সম্মুখে।


রাকেশ - কি রে ,কোথাও যাচ্ছিস না কি ? এই দুপুরে সেজেগুজে কোনদিকে ? নতুন কোনো অপ্সরার খোঁজ পেলি না কি ? অবশ্য তাতে সকলেরই ভালো।

মলয় - কি আজেবাজে বকছিস , তুই। তোর কি মাথা খারাপ ?

রাকেশ - কেন বলছি ,তুই কি বুঝতে পারছিস না। না কি ভান করছিস।

মলয় - কোন ব্যাপারে কথা বলছিস ,একটু খুলে বলবি দয়াকরে।

রাকেশ - আরে , ক্লাবের অনুষ্ঠানের জন্য একটা নায়িকার দরকার , সেটা কি ভুলে গেছিস।

মলয় - যাক , আমাকে তো টেনশনের মধ্যে ফেলে দিয়েছিলি। আমি

এক্কেবারে ঘাবড়ে গিয়ে ছিলাম।

রাকেশ - ঠিক আছে পরে কথা হবে ,এখন শুভ কাজটা সেরে আয় তাড়াতাড়ি। আসছি রে , ভালো থাকিস।


মলয় সাইকেলে চড়ে এগিয়ে যেতে লাগল , আর রাধারাণীর কথা বারবার চিন্তা করতে লাগল। আর মনেমনে রাকেশের কথাগুলো ভেবে মনেমনে হাসতে লাগল। কিন্তু ওই একই সাথে জীবনের কিছু ফেলে আসা স্মৃতি বারবার যেন কড়া নাড়তে লাগল। মলয়ের মনের আকাশে যেন কালো মেঘে চেয়ে গেল ,আর ঘনঘন বিদ্যুতের ঝলকানি চলতে লাগল। একদিকে মনের মধ্যে নতুন প্রেমের আনন্দের দখিনা বাতাস বইছে আর অন্যদিকে অতীতের স্মৃতিগুলো যেন কাঁটার মতো বিঁধছে বারেবারে। জীবনে কখন যে এই ধরনের ভয়ঙ্কর পরিবর্তন আসে কে বলতে পারে ? বিধাতার লিখন কি এভাবেই চলতে থাকে , কে জানে ?

অবশেষে মলয় এসে হাজির হল সেই নিমন্ত্রনের দোরগড়ায় , পা যেন তার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। ঠিক ভাবে চলতে পারছেনা , কেমন যেন নিজেকে অস্থির মনে হচ্ছে। দরজায় দাঁড়িয়ে ভাবতে ভাবতেই নমিতার আগমন।


নমিতা - কই গো আলালের দুলাল আসার সময় হলো তাহলে। এসো , এসো।


খাবারের সুগন্ধে বাড়ি, উঠোন একেবারে মোহমোহ করছে। যেন কেউ তার মনের মানুষের জন্য মন দিয়ে রান্না করেছে। নমিতার সাথে মলয় বাড়ির অন্তরে প্রবেশ করল। কিন্তু দেখে অবাক ,কেবল মাত্র তার জন্যই এত সুন্দর ভাবে সাজিয়ে রেখেছে তারা। জীবনে কোনোদিন ভাবিনি যে আমার আপ্যায়ন এত মনোরম হবে। কেউ কাউকে ভালোবাসলে সব উজাড় করে সবকিছু দিয়ে দেয় , কোনোরূপ কৃপণতা করে না। একমাত্র প্রেমেই পারে মানুষের প্রকৃত রূপ , গুন্ ও মনের ভাবকে প্রকাশ করে।

চারিদিক ফুল দিয়ে সাজানো , সুগন্ধে ভরপুর অন্দরমহল। ঠিক সময়ে আসার জন্য সকলে একসঙ্গে স্বাগতম জানাল তাকে।

মাসিমা - এসো , এসো বাবা। খেতে বসো। খাবার গরম গরম খেতেই ভালো লাগবে।


মলয় খেতে বসে বারবার রাধার রুমের দরজার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে আছে। এদিকে রান্নাঘরের ভেতরে মা ও মেয়ে দুজনে মিলে খাবারের থালা সুন্দর করে সাজানো চলেছে জোর কদমে। একের পর এক পদ রান্না করেছে নমিতা নিজে , আর কিছুক্ষন পরেই পৌঁছে যাবে তার মনের মানুষের কাছে।


আর যার জন্য মলয় এতক্ষন ধরে অপেক্ষা করছে তার তো পাত্তাই নেই। ঠিক সেই সময়েই নমিতা খাবারের থালা নিয়ে হাজির মলয়ের সম্মুখে কিন্তু দেখে অবাক তাকে। অর্থাৎ মলয়কে দেখে , সে নমিতার দিকে না তাকিয়ে একইভাবে দরজার দিকে তাকিয়ে আছে।


অবশেষে সেই রূপবতী ও গুণবতী অপ্সরার আগমন ঘটে , রাধারাণীর।


নমিতা - কি রে , তোর বুঝি এখন আসার সময় হল , এদিকে পেত্নীকে দেখার জন্য একজনের তো তর সইছে না। তোকে দেখার জন্য কখন থেকে অপেক্ষা করছে।

মলয় - না,না, এমন করে বোলো না ,আমি তো কেবল -

নমিতা - তা ,তো , তোমার চোখে - মুখে বোঝা যাচ্ছে।

মলয় - একটা কথা নমিতা মানতেই হবে , তোমার বোনকে কিন্তু দারুণ লাগছে। মনে হচ্ছে স্বর্গ থেকে অপ্সরা নেমে এসেছে।

নমিতা - এই অনেক হয়েছে তুই মলয়ের সাথে খেতে বস। আমরা খাবার গুলো পরিবেশন করে দিচ্ছি।


নমিতা রান্নাঘরে মায়ের কাছে চলে গেল। এদিকে মলয় তার মন - প্রাণ দিয়ে রাধারাণীর দিকে চেয়ে রইল। কল্পনার জগতে হারিয়ে গেল মলয়। এদিকে নমিতাও তার সর্বস্ব যেন উজাড় করে ঢেলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। দুজন দুজনকে কাছে পেয়ে মুখ যেন আর ভাষা হারিয়ে ফেলেছে। দুজন যেন বহুদিনের আপনজন দুজনের কাছে। এ যেন সাথে জন্মের বাঁধনে বাঁধা। একে অপরকে তারা প্রেমের বাঁধনে বেঁধে রেখেছে।


ওদিকে খাবারের থালা সাজিয়ে নমিতা নিয়ে এসে প্রথমে মলয়কে ও পরে রাধারাণীকে দেয়। দেওয়ার পর সে দেখে কেউ খাবার খায়নি ,তখন সে হাতে জল নিয়ে ছিটিয়ে দেয় দুজনের চোখে মুখে। তখন দুজনেই স্বপ্নের জগৎ থেকে বাস্তবের জগতে ফিরে এল।


নমিতা - কি রে খিদে কি তোদের পায়নি আজকে ? খাবার গুলো খা ,ঠাণ্ডা হয়ে গেল যে।

রাধা - খাচ্ছি গো খাচ্ছি। আজ যে জীবনের সেরা দিন ,বহুদিন পরে এত আদর আপ্যায়ন পাচ্ছি , সেই কবে মায়ের হাতের রান্না খেয়েছি মনে নেই আমার। খাবারের সুগন্ধে যেন মনে যত দুঃখ - কষ্ট ছিল সব এক নিমেষেই উধাও হয়ে গেল। তোমরা কত ভালো মায়ের রান্নার জন্য অপেক্ষা করতে হয়না তোমাদের।

বলতে বলতে চোখ দিয়ে জল ঝরতে লাগল।

মলয় - এই নাও রুমাল ,চোখের জল মুছে নাও। সত্যি অপূর্ব রান্না হয়েছে , কে রান্না করেছে , মাসিমা না তুমি।

রাধা - বেশির ভাগ রান্নায় আমার গুনবতী দিদি করেছে।

মলয় - অনেক অনেক ধন্যবাদ নমিতা ,এই অপূর্ব রান্নার জন্য।

নমিতা - ধন্যবাদ পাওয়ার জন্য তো এই কাজ করিনি , আমি। আপনজনকে খাওয়াতে আমার বেশ ভালোয় লাগে।

মাসিমা - মলয় রান্না কেমন হয়েছে , যদি কিছু লাগে বলবে।

মলয় - রান্নার সমন্ধে কিছু বলার নেই , একেবারে অতুলনীয় , যেন অমৃত। যদি আজ কোনো কারণে না আসতাম তাহলে জীবনের এক অপূর্ব মুহূর্ত হারিয়ে ফেলতাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাদের সকলকে এই এক অপূর্ব আপ্যায়নের জন্য। আজকের নিমন্ত্রণ জীবনের সেরা নিমন্ত্রণ হয়ে রইল।

মাসিমা - আমরা সার্থক যে তুমি আজ এসেছ ও খাবার খেয়েছ। তাতেই আমরা খুব খুশি। আসলে তুমি নিজে ভালো তাই সবকিছুই তোমার কাছে ভালো।

এই বলে মাসিমা চলে যায় বাড়ির ভিতরে।


নমিতা - কি গো রাজকুমার খুব যে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলছ , ব্যাপার কি ? আজ কি প্রেমের ঢেউ উপচে পড়ছে , মলয়বাবু। যাক জীবনে কখন যে কি হয় কে জানে ? যে টুকু ভালো সময় পাব মনের দেওয়ালে গেঁথে রাখব।

এই বলে মিষ্টি আন্তে রান্না ঘরে চলে যায়।

রাধা - বলি আপনার মতো একজনের সাথে বসে দুপুরের খাবার খাব ,কোনোদিন ভাবিনি। জীবনের ইতিহাসের পাতায় কেবল অসহায় এক মেয়ের কথা লেখা আছে। আনন্দের কোনো অধ্যায় কোনোদিন ছিলই না। হাসতে শিখলাম আপনার ছোঁয়ায় , জীবনে আনন্দের ধারা বইতে লাগল প্রথমবার তাও আপনার ছোঁয়ায়। পৃথিবীর মধ্যে যে আপনার মতো ভালো মানুষ আছে ,দেখা না হলে জানতাম না। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আপনার মতো একজনকে আমার জীবনে পাঠিয়েছেন। ঈশ্বরের আশীর্বাদ যেন আমার উপরে সারাজীবন থাকে।

মলয় - জানিনা , জীবন নামক এই মহাকাব্যে আমরা কখন কোন পথ দিয়ে কোথায় পৌঁছে যায়। সব পথ যে সবার জন্য তা আবার নাও হতে পারে সব সময়। জীবনে সুখের চেয়ে দুঃখের অধ্যায় একটু বেশি হয়ে থাকে বেশির ভাগ সময়েই। যাই হোক এখন সময়টা ভালো কাটুক রাধারাণীর ,এই আমার একান্ত কামনা।


মলয়ের এই কথা শুনে রাধারাণী হারিয়ে গেল স্বপ্নের জগতে। ,নিজেকে সে মনে করতে লাগল সে তপবনের তাপসীদের মতো স্বাধীন। যেন শকুন্তলার সময়ে তপবনের যে পরিবেশ ছিল ,সেই মনোরম পরিবেশে নিজেকে হারিয়ে ফেলল সে।


অবশেষে মাসিমার গলার স্বরে তার ধ্যান ভাঙল ,সে দেখল মলয়দা বাড়ি যাওয়ার জন্য দরজায় দাঁড়িয়ে নমিতার সাথে কথা বলছে।


মলয়কে তারপর দুই বোনে তাদের বাড়ি আসার জন্য ধন্যবাদ জানাল। মলয় ও তাদেরকে স্বাগতম জানিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হল।



সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে এই গল্পের তৃতীয় অধ্যায় এখানে শেষ করলাম।

আবার দেখা হবে পরবর্তী অধ্যায়ে।


5 views0 comments

Recent Posts

See All

My Pets

মিঠাই রাণী মনোরঞ্জন দাস মিঠাই রাণী , মিঠাই রাণী , কোথায় তুমি আছো ? আমি আছি তিমায়ের কাছে। মিঠাই রাণী ,মিঠাই রাণী , কতো তুমি ভালো। আমি ভালো তোমার মতো , তুমি যেমন ভালো। মিঠাই রাণী ,মিঠাই রাণী , কোথায়

Raas Purnima

রাস পূর্ণিমা মনোরঞ্জন দাস আজ রাস পূর্ণিমা , খুব সুন্দর সাজে সেজেছে চন্দ্রীমা। অপরূপ রূপের অধিকারী , তার তুলনা একটু না হয় করি। গতকাল আমি অনেক ভেবেছি , একবার এটা তো একবার ওটা করেছি। আসলে জীবনে আমরা যা

Bengal Tiger

দাদা মনোরঞ্জন দাস বাংলার দাদার প্রথম পায়ের ছোঁয়া পেয়েছিল , কলকাতার বেহালা ,সেখানেই তার জন্ম হয়েছিল। ৮ই জুলাই ১৯৭২ সালে তার জন্ম হয়েছিল , মাতা নিরূপা গাঙ্গুলীর কোল আলো করেছিল। পিতা চন্ডীদাস গাঙ্গুল

Comments


bottom of page